আমরা জেগে উঠবো

আমরা জেগে উঠবো

নুসরাত কলি, সিএনএন অবলম্বনে : শৈশব কিংবা কৈশোর বয়স থেকেই ছেলেমেয়েরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতি কৌতূহলী মনোভাব নিয়ে বেড়ে ওঠে। বিদ্যালয়ের উপর খুব বেশি আকর্ষণ কাজ করে প্রকৃতির সাথে বেড়ে ওঠা এসব বাচ্চাদের। জন্মের পর থেকেই শিশুরা শুধু মাত্র পরিবেশ থেকেই শিক্ষা লাভ করে বড় হতে থাকে। সেটা হতে পারে ভালো কিংবা খারাপ। বাংলাদেশের মত দরিদ্র একটি দেশে শিক্ষা বঞ্চিত ছেলেমেয়েরা যেমন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়ে বড় হয় তেমনি বাংলাদেশর বাইরেও এমন কিছু দেশ রয়েছে যেখানের দরিদ্র ছেলেমেয়েরা ইস্কুলের পাঠদান থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছে দিনের পর দিন। বলছি আফগানিস্তান ও নাইজেরিয়ার শিক্ষা বঞ্চিত শিশুদের কথা।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থায় বলা হয়েছে, পৃথিবীতে ৬২ মিলিয়ন মেয়েরা এখনও ইস্কুলে যায় না। তবে আমরা চাইলেই এসব মেয়েদের শিক্ষা এবং অনুকূল পরিবেশ দিয়ে সাহায্য করতে পারি। ফার্স্ট লেডি মিশেল ওবামা মেয়েদের নিরাপদ শিক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর করার লক্ষ্যে মার্কিন সরকারি উদ্যোগে ২০১৫ সালে একটি কর্মসূচি গ্রহন করেন। এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায় আমেরিকান সরকার নাইজেরিয়া ও আফগানিস্তানের যুদ্ধ বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে শিক্ষার সুযোগ দিয়ে সাহায্য করছে। সিএনএন সম্পাদক, মিশেল ওবামার এই কর্মসূচিকে “আমরা জেগে উঠবো” এমন শ্লোগানে আখ্যায়িত করেন।

এসবিসি/এনকে/এসবি