নিরাপত্তায় তাল ও খেজুর

নিরাপত্তায় তাল ও খেজুর

এসবিসি ডেস্ক : গ্রাম ও পাহাড়ি অঞ্চলে বজ্রপাতের পরিমাণ তুলনামূলক অনেক বেশি, বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলের খোলা মাঠে বজ্রপাতে প্রাণহানির সংখ্যাও কম নয়। প্রাণঘাতী বজ্রের দিগ্বিদিক নেমে আসাকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখে তাল ও খেজুর গাছ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বজ্রপাতের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার তাগাদ দিয়েছেন, সে আলোকেই কৃষি বিভাগ বিভিন্ন জেলায় তাল ও খেজুর গাছ রোপণের কার্যক্রম শুরু করেছে।

বাসস বাংলা জানায়, মাগুরা জেলার সদর উপজেলায় ৪০টি কৃষি ব্লকে ৮০ হাজার তাল ও খেজুর গাছ রোপণের উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা কৃষি বিভাগ। ইতোমধ্যে গত ২ মাসে হাজিপুর ও আঠারো খাদা ইউনিয়নের ৫ টি সড়কে ১৭ হাজার ২৬০টি তাল ও খেজুর গাছের বীজ রোপণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মাগুরা সদর উপজেলার সাইত্রিশ-ফুলবাড়ি সড়কের দু’পাশে ২ হাজার তাল ও খেজুর গাছের বীজ রোপণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন কৃষি সম্প্রসারণ যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক চন্দীদাস কুণ্ডু।

মাগুরা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, মাগুরা সদর উপজেলার বিভিন্ন সড়কে এ পর্যন্ত ৫ হাজার ২৬০ টি তাল ও ১২ হাজার খেজুর গাছের বীজ রোপণ করা হয়েছে। মাগুরা সদর উপজেলার হাজিপুর থেকে বরইচারা, বেণীপুর মাঠ থেকে বেণীপুর বিল, পুর্ববাড়িয়ালা থেকে আড়াইসাত, সাইত্রিশ থেকে ফুলবাড়ি, রামনগর থেকে কছুন্দি এ ৫টি সড়কের ২৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এসব বীজ রোপণ করা হয়েছে। স্থানীয় জনগণকে উদ্বুদ্ধ করে সদর উপজেলার ৪০টি কৃষি ব্লকের প্রতিটিতে ২ হাজার করে মোট ৮০ হাজার তাল ও খেজুর গাছের বীজ বপণের জন্য ইতিমধ্যে স্ব-স্ব ব্লকের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক চণ্ডীদাস কুণ্ডু জানান, ‘মৌসুমী ফল হিসাবে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তাল ও খেজুরের রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছেন। তাই বজ্রপাত প্রতিরোধে স্থানীয় জনগনকে তাল ও খেজুর গাছ রোপণে উদ্বুদ্ধ করতেই সারা দেশে এ ধরনের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে কৃষি বিভাগ।’

এসবিসি/এসবি