সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরতেই চাই

সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা তুলে ধরতেই চাই

এসবিসি ডেস্ক : এমসিসি ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটির সদস্যপদ পাওয়াটা সম্মানজনক। তবে, এই কমিটির আসন্ন সভায় অংশ নিয়ে শুধু আনুষ্ঠানিকতাই সারতে চান না সাকিব আল হাসান। বরং বাংলাদেশের ক্রিকেটের সম্ভাবনা আর চ্যালেঞ্জগুলোও তুলে ধরতে চান তিনি। মিরপুরে গণমাধ্যমকে এমনটাই জানিয়েছেন টাইগারদের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক।

বাংলাদেশের ক্রিকেটে সাকিব আল হাসানের অবদান অনস্বীকার্য। বিশ্বের নাম্বার ওয়ান অলরাউন্ডার পেয়েছেন আরো একটি সম্মাননা। ম্যারিলিবন ক্রিকেট ক্লাব-এমসিসি’র সদস্য এখন তিনিও। কুমার সাঙ্গাকারা, স্টিভ ওয়াহ, সৌরভ গাঙ্গুলী, রিকি পন্টিংরা আছেন যেখানে, সেই অভিজাত তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন সুপার সাকিব। এই সম্মাননা তাকে দিচ্ছে সামনে এগোনোর প্রেরণা।

সাকিব আল হাসান বলেন, ‘আমি অবশ্যয়ই এক্সাইটেড। আমার কাছে মনে হয়, এটা অনেক বড় সম্মাননা একই সঙ্গে একটা দায়িত্বও। এর আগে মিটিংগুলো যখন হয়েছে এবং সেখানে বাংলাদেশের যেহেতু কেউ ছিলো না তাই এখানে আমারা কি সুবিধা ভোগ করি বা কি অসুবিধা মোকাবেলা করি সে বিষয়ে ওদের ধারণা কম থাকতো। আমি হয়তো সেগুলো শেয়ার করতে পারবো।’

বর্তমান খেলোয়াড়দের মধ্যে তালিকায় আছেন একমাত্র সাকিবই। বাংলাদেশ থেকেও তিনিই প্রথম। আসন্ন সভার এজেন্ডাগুলো জানা আছে সাকিবের। তাই মানসিক প্রস্তুতিটাও আছে। শুধু আনুষ্ঠানিকতাই নয়, সভায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে চান সাকিব। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে উপস্থাপন করতে চান সদর্পে।

‘স্বাভাবিকভাবেই অনেকগুলো এজেন্ডা নিয়েই আলোচনা হবে। এজেন্ডাগুলো সম্পর্কে আমি জানি এবং এরইমধ্যে সেগুলো নিয়ে আলোচনাও হয়েছে। এখন ওই বিষয়গুলো নিয়ে একটু পড়াশুনার বিষয় আছে, একটু ভালো করে বুঝার ব্যাপার আছে।… অনেক এজেন্ডার মধ্যে টেস্ট ক্রিকেটও একটা।’

১০ জানুয়ারি সিডনিতে এমসিসি’র সভায় যোগ দেয়ার কথা সাকিবের। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এমসিসি ওয়ার্ল্ড ক্রিকেট কমিটি। বছরে দু’বার সভা অনুষ্ঠিত হয় এই কমিটির। বিশ্ব ক্রিকেটের আইন-কানুন পরিবর্তন সহ বিভিন্ন বিষয়ে এই কমিটির সুপারিশ গুরুত্বের সঙ্গে নেয় আইসিসি।

এসবিসি/ওফ