মন্ত্রিসভায় শ্রম আইনের খসড়া অনুমোদন

মন্ত্রিসভায় শ্রম আইনের খসড়া অনুমোদন

এসবিসি ডেস্ক : মন্ত্রিসভা আজ বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন- ২০১৮ এর খসড়ায় নীতিগতভাবে অনুমোদন দিয়েছে। শ্রমিকদের জন্য শ্রমবান্ধব এবং সুশৃঙ্খল মালিক-শ্রমিক পরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এই আইনের লক্ষ্য। মন্ত্রিসভার নিয়মিত সাপ্তাহিক বৈঠক আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত  হয়। বাসস বাংলা

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বিফ্রিং করেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। তিনি বলেন, আইএলও’র (বিশ্ব শ্রম সংস্থা) কনভেনশন অনুযায়ী শ্রম আইন আপডেট করার জন্য অর্থাৎ শ্রমবান্ধব পলিসি সব জায়গায় যাতে নিশ্চিত হয় সেজন্য আইনটি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আইএলওর পর্যবেক্ষণ আমলে নিয়ে শিল্প কারখানার যেকোন সমস্যার সমাধানে মালিক, শ্রমিক ও সরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত ত্রিপক্ষীয় কমিটি আইনটির খসড়া চূড়ান্ত করে।

একই সঙ্গে খসড়ায় মালিক-শ্রমিকদের যেকোন অসদাচারনের জন্য কঠোর শাস্তির প্রবিধান যুক্ত করা হয়েছে।
মন্ত্রী পরিষদ সচিব বলেন, প্রস্তাবিত আইনে মালিক ও শ্রমিকদের অসদাচরণ বা বিধান লঙ্ঘনের জন্য শাস্তি সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ড করা হয়েছে। আগে কারাদণ্ডের মেয়াদ ছিল ২ বছর।

শফিউল আলম জানান, বলপ্রয়োগ, হুমকি প্রদর্শন, কোনো স্থানে আটক রাখা, শারীরিক আঘাত এবং পানি, বিদ্যুৎ বা গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে বা অন্য কোনো পন্থায় মালিককে কোনো কিছু মেনে নিতে বাধ্য করলে তা অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

শ্রমিকরা বেআইনি ধর্মঘটে গেলে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য হবে জানিয়ে শফিউল আলম বলেন, ধর্মঘট করতে আগে দুই তৃতীয়াংশ শ্রমিকের সমর্থনের প্রয়োজন থাকলেও সংশোধিত আইনে ৫১ শতাংশ শ্রমিকের সমর্থন থাকার কথা বলা হয়েছে।

বেআইনি ধর্মঘট করলে আগে এক বছর কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হত। সংশোধিত আইনে সাজা কমিয়ে ছয় মাস করার প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থদণ্ড আগের মত পাঁচ হাজার টাকা বহাল রাখা হয়েছে।

এসবিসি/এসবি