২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা আওয়ামী রাজনীতির কুটিল পাটিগণিত

২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা আওয়ামী রাজনীতির কুটিল পাটিগণিত

এসবিসি রিপোর্ট : বিএনপি বলেছে, ‘২১শে আগস্ট বোমা হামলার পুরো বিষয়টাই একটি প্রহেলিকা। আওয়ামী রাজনীতির কুটিল পাটিগণিত।’ আজ এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রিজভী আহমেদ বলেছেন, ‘এই হামলা ও মামলা  জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধ্বংস করার দেশীয় ও বৈদেশিক চক্রান্তের বিপজ্জনক ব্লুপ্রিন্ট। বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করতে সরকার  আইন আদালতকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।’

নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে রিজভী বলেন, ‘দেশের বিভিন্ন স্থানে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতার বানোয়াট মামলা দায়ের করা হচ্ছে। সারাদেশে ১৬ শতাধিক নেতাকর্মীর নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। গায়েবী মামলার ছড়াছড়িতে সারাদেশে বিরাজ করছে এক আতঙ্কের পরিবেশ।’

তিনি বলেন, ‘জুলুম করা আওয়ামী লীগের স্বধর্ম। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে পর্যদুস্ত করার জন্য এহেন অমানবিক পদ্ধতি নেই, যা সরকার ব্যবহার করে না। ২১শে আগস্ট বোমা হামলা মামলায় দীর্ঘদিন পর অধিকতর তদন্তের নামে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ার‌্যান তারেক রহমানকে জড়ানোর ঘটনাই এর প্রমাণ। এর পূর্বে দুইবার চার্জাশটে জনাব তারেক রহমানের নাম ছিল না। শুধুমাত্র প্রতিহিংসা পূরণের জন্য টার্গেট করেই সম্পুরক চার্জশিটে তারেক রহমানের নাম উক্ত মামলায় জড়ানো হয়েছে। এক্ষেত্রে বেপরোয়া ক্ষমতার আস্ফালনে আইন আদালতকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘চুক্তিভিত্তিক তদন্তকারী কর্মকর্তা কাহার আকন্দ কর্তৃক তথাকথিত নিখুঁত ও গভীর তদন্ত কার্যক্রম চালাতে গিয়ে সরকারী অনেক দলিল দস্তাবেজ হয় গায়েব অথবা সৃজন পরিবর্তন করা হয়েছে। যেমন, বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়ার পরেও তদন্তের সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ অনুষঙ্গ ‘কেন পুলিশকে ভ্রান্ত তথ্য দিয়ে সভাস্থল পরিবর্তন করা হলো, সে বিষয়ে কে বা কারা সম্পৃক্ত’ (অর্থাৎ মুক্তাঙ্গন থেকে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ)-এই মূল্যবান তথ্যটি উদঘাটনের ক্ষেত্রে তিনি বিন্দুমাত্র মনোযোগ দেননি। বরং এই প্রসঙ্গ উত্থাপন করলেই তিনি ক্ষেপে যেতেন বলে শোনা যায়।’

রিজভী আহমেদ সারাদেশে গ্রেপ্তার বিএনপি নেতাকর্মীদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান।

এসবিসি/এসবি